বিদায় নিল উইন্ডিজ

ভোররে টেকনাফ ডেস্ক:: রেকর্ড যেন পকেটে নিয়ে ঘোরেন বিরাট কোহলি। প্রত্যেক ম্যাচেই মাঠে নামার আগে কিছু মাইলফলক সামনে থাকে। ব্যাট হাতে অবধারিতভাবেই সেসব টপকান বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান। ম্যানচেস্টারে গতকাল তাই হয়েছে, সঙ্গে দলও জিতেছে হেসেখেলে। এই জয়ের ফলে শেষ চার একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গেল কোহলিদের জন্য। অন্যদিকে নিশ্চিতভাবেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ল গেইলরা।

প্রথম ভারতীয় অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপে টানা চারটি ফিফটির কীর্তি গড়লেন বিরাট কোহলি। শচীন টেন্ডুলকার ও ব্রায়ান লারাকে পেছনে ফেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুততম ২০ হাজার রানও পূরণ করে ফেললেন। মহেন্দ্র সিং ধোনি পেলেন আসরে নিজের প্রথম ফিফটি। দুজনের ব্যাটে ভর করে গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২৬৮ রানের লড়াকু পুঁজি গড়ল ভারত। জবাব দিতে নেমে ১৪৩ রানেই গুটিয়ে যায় ক্যারিবীয়রা।

ইনিংসের শুরুতে রোহিত শর্মার আলোচনার জন্ম দেওয়া বিদায়ের পরও ভারতের খুব একটা সমস্যা হয়নি। বরাবরের মতোই চাপের মুখেও অসাধারণ খেলেছেন ভারতীয় অধিনায়ক।

কোহলির দারুণ ছন্দ দেখে অন্যপাশে লোকেশ রাহুলও খেলছিলেন ভালো। একমাত্র জ্যাসন হোল্ডারের বলেই কোহলি-রাহুল স্বস্তি নিয়ে খেলতে পারছিলেন না। অবশেষে তার বলেই থামল দ্বিতীয় উইকেট জুটি। ইনসুইং বলটা পড়তেই পারেননি রাহুল। এরপর নামলেন আলোচনার কেন্দ্রে থাকা শংকর। মাত্র ১৪ রান করে তিনিও ফিরলেন। কেদার যাদব ফিরলেন ৭ রান যোগ করে। ১৪০ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর উইকেটে আসলেন ধোনি।

ধোনির ধীর গতির খেলার চাপে দ্রুত রান নিতে হচ্ছিল কোহলিকে। ম্যাচের পর ম্যাচ ধরে এ কাজটি করে ক্লান্ত কোহলি গতকাল আর পারেননি। ৩৯তম ওভারে হোল্ডারের বলেই ফিরেছেন। তার আগে করেছেন ৮২ বলে ৯ চারে ৭২ রান। ১৮০ রানে পঞ্চম উইকেট হারাল ভারত।

ধোনির রান তোলার গতি এরপরও বাড়েনি। ৪৫ ওভার শেষেও ৪৫ বলে ২৬ রান ছিল ধোনির। অন্যপ্রান্তে পান্ডিয়া অবশ্য বলে বলে রান তুলে সেটা পুষিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এরপরই যা একটু প্রাণ পেয়েছে ভারতীয় ইনিংস। ৪৯তম ওভারে ৭০ রানের ষষ্ঠ উইকেট জুটি থেমেছে। কটরেলের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৮ বলে ৪৬ রান করেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। শেষ দিকে ঝড় তুলে ৬১ বলে ৫৬ রান করে অপরাজিত হয়ে মাঠ ছেড়েছেন ধোনি।

উইন্ডিজ পেসার কেমার রোচ ১০ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে তুলে নেন তিনটি উইকেট। ১০ ওভারে ৫২ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি ফ্যাবিয়ান অ্যালেন। দলপতি জেসন হোল্ডার ১০ ওভারে ৩৩ রান খরচায় পান দুটি উইকেট। কার্লোস ব্রাথওয়েইট ৩ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি। ওশানে থমাস ৭ ওভার বল করে ৬৩ রানের বিনিময়ে উইকেটশূন্য থাকেন। শেল্ডন কটরেল ১০ ওভারে ৫০ রান দিয়ে নেন দুটি উইকেট।

২৬৯ রানের জবাবে খেলতে নামার পর কখনোই মনে হয়নি, জিততে পারে ক্যারিবীয়রা। ওপেনার ক্রিস গেইল ফেরেন ৬ রান করে। ৪০ বলে ৩১ রান করেন আরেক ওপেনার সুনীল অ্যামব্রিস। তিন নম্বরে নামা শাই হোপ ৫ রানে বিদায় নেন। নিকোলাস পুরান ২৮, শিমরন হেটমায়ার ১৮, জেসন হোল্ডার ৬, কার্লোস ব্রাথওয়েট ১, ফ্যাবিয়ান অ্যালেন ০, শেল্ডন কটরেল ১০, কেমার রোচ ১৪ আর ওশানে থমাস ৬ রান করেন।

📕সংবাদটি লাইক এবং শেয়ার করুন।

শেয়ার করুন !

Daily Vorer Teknaf

সুন্দর আগামী বাস্তবায়নে এটি একটি অঙ্গীকারবদ্ধ অনলাইন সংবাদ মাধ্যম। 'দৈনিক ভোরের টেকনাফ' সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য প্রিয় পাঠকদের প্রতি অনুরোধ করা হল। ধন্যবাদ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *