শিরোপার লড়াইয়ে নামছে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান

ভোরের টেকনাফ ডেস্ক:: টি-টোয়েন্টিতে প্রথম বহুজাতিক কোনো টুর্নামেন্টে শিরোপা জয়ের হাতছানি বাংলাদেশের সামনে। সন্ধ্যায় মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনালে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে সাকিব আল হাসানের দল।

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এর আগেও দুটি বহুজাতিক সিরিজের ফাইনালে খেলেছে বাংলাদেশ। প্রথমবার ঘরের মাঠে ২০১৬ সালে। মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার নেতৃত্বে এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের সঙ্গে পেরে ওঠেনি বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় ফাইনালটা ছিল গত বছর। সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কায় নিদাহাস কাপের ফাইনালে শেষ বলে দিনেশ কার্তিকের খুনে ব্যাটিংয়ে ট্রফির দুয়ার থেকে ফিরেছিল বাংলাদেশ।

সিরিজের শুরুতে ঢাকা পর্বে বাংলাদেশ তেমন ভালো করতে না পারলেও চট্টগ্রাম পর্ব থেকে ফিরেছে অপরাজিত হিসেবে। টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জয়ী দল লাল-সবুজরা; লিগ পর্বের চার ম্যাচের তিনটি জিতেছে। রশিদ খানের আফগানদের জয় দুটিতে।

টি-টোয়েন্টিতে আফগানরা সন্দেহাতীতভাবে এগিয়ে বাংলাদেশের চেয়ে। টি-টোয়েন্টিতে টানা চার ম্যাচ হারের পর গত ২১ সেপ্টেম্বর রশিদ খানের দলকে হারাতে সক্ষম হয়েছে টাইগাররা। চট্টগ্রামে পাওয়া ঐ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়েই আজকের ফাইনালে মাঠে নামবে স্বাগতিকরা।

আফগানদের সমীহ করলেও বাংলাদেশের কোচ রাসেল ডমিঙ্গো আত্মবিশ্বাসী ফাইনাল লড়াইয়ে জয় নিয়ে।

“আফগানিস্তান অবশ্যই ভালো দল। তবে আমরা জানি, নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেললে আমরা যে কোনো দলকে হারাতে পারি। আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হবে আমাদের স্কিল ও মানসিকতা এক বিন্দুতে মেলাতে পারা, যেন আফগানিস্তানের মতো দলকে হারাতে পারি।”

ইনজুরির কারণে অভিষেকেই নৈপুণ্য দেখানো লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম বিপ্লবের খেলা হচ্ছে না ফাইনালে। সোমবার এই তরুণ নিজেই বলেছেন, হাতের সেলাই খোলা হবে দুই দিন পর। কোচ ডমিঙ্গোও তাকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চান না।

ফাইনালে আফগানদের বিরুদ্ধে চার পেসার খেলাতে পারে বাংলাদেশ। আফগানদের পেস বোলিংয়ের অনভ্যস্ততা কাজে লাগানোর চিন্তা করছে স্বাগতিকেরা।

গত ম্যাচে মোস্তাফিজ, সাইফউদ্দিন, শফিউলরা খেলেছিলেন। ফাইনালে বাড়তি একজন পেসার রাখার বিষয়ে জানতে চাইলে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের কোচ বলেন, “সম্ভবত একজন বাড়তি পেসার নিয়ে আমরা ১২ জনের দল গড়ব, কালকে (মঙ্গলবার) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে উইকেট দেখে। অবশ্যই এই জায়গাটি আমরা কাজে লাগাতে পারি। উইকেটে খানিকটা ঘাস আছে, বাউন্স মিলতে পারে। চার পেসার তাই ভালো বিকল্প হতে পারে। তবে কালকে উইকেট-কন্ডিশন দেখে সিদ্ধান্ত হবে।”

অন্যদিকে, টানা দুই ম্যাচ হারলেও উদ্যম হারায়নি আফগানরা। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের কারণে একটু অনিশ্চয়তা থাকলেও রশিদ খানের খেলার সম্ভাবনাই বেশি। ফাইনালের আগে আফগান অধিনায়ক বলেছেন, ফাইনাল বিজয়ে শতভাগ নিংড়ে দিতে চান তারা।

📕সংবাদটি লাইক এবং শেয়ার করুন।

শেয়ার করুন !

Daily Vorer Teknaf

সুন্দর আগামী বিনিমার্ণ বাস্তবায়নে এটি একটি অঙ্গীকারবদ্ধ অনলাইন সংবাদ মাধ্যম। 'দৈনিক ভোরের টেকনাফ' সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য প্রিয় পাঠকদের প্রতি অনুরোধ করা হল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *