বিদায় ক্যাপ্টেন

ভোরের টেকনাফ ডেস্ক::

বাংলাদেশ ক্রিকেটের স্বর্ণযুগের কান্ডারি মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার অধিনায়কত্বের শেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ১২৩ হারিয়েছে বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ সিরিজের সবকটিতেই বিশাল জয় পেল স্বাগতিকেরা।

সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শুক্রবার টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় জিম্বাবুয়ে। বৃষ্টি বাধায় ৪৩ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ওপেনিংয়ে ২৯২ রানের রেকর্ড জুটিতে ৩২২ স্কোর দাঁড় করায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে জিম্বাবুয়ের টার্গেট দাঁড়ায় ৩৪২। দলটি গুটিয়ে যায় ৩৭.৩ ওভারে, ২১৮ রানে। অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফীর এটি ৫০তম জয়।

বাংলাদেশের ইতিহাসে একই ওয়ানডেতে প্রথমবারের মতো দুই ওপেনার সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দলকে টানা তিন ম্যাচে তিন শতাধিক রানের সংগ্রহ এনে দেন।

যৌথভাবে সিরিজ সেরার পুরস্কার জেতা লিটন-তামিমের ২৯২ যেকোনো উইকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের নজির। দুই ওপেনার এই প্রথম এক সঙ্গে সেঞ্চুরি করলেও এক ম্যাচে বাংলাদেশিদের দুই সেঞ্চুরির আছে আরও তিনটি।

ওয়ানডে ক্রিকেটের বৈশ্বিক হিসাবে বাংলাদেশের এই ২৯২ তৃতীয় সর্বাধিক রানের ওপেনিং জুটি। এ যাবৎ কালের সবচেয়ে বড় ওপেনিং জুটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ২০১৯ সালের ৫ মে শাই হোপকে (১৭০) নিয়ে জন ক্যাম্পবেল (১৭৯) ৩৬৫ রান করেন, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে।

তার এক বছর আগে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইমাম-উল-হক (১১৩) এবং ফখর জামান (২১০*) ৩০৪ রান করেন।

লিটন এদিন ১৭৬ রানে সাজঘরে ফেরেন। সিরিজে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। ৪১তম ওভারের পঞ্চম বলে কার্ল মুম্বার বলে লংঅনের বাউন্ডারি লাইনে সিকান্দার রাজার হাতে ধরা পড়ার আগে ১২৩.০৭ স্ট্রাইক রেটে ১৬টি চার এবং ৮টি ছয় হাঁকান। তার সঙ্গে ব্যাক-টু-ব্যাক সেঞ্চুরি হাঁকানোর পর তামিম অপরাজিত থাকেন ১২৮ রানে।

১০৯ বলের ইনিংসে ১১৭.৪৩ স্ট্রাইক-রেটে সাতটি চার এবং ছয়টি ছয় হাঁকিয়েছেন দেশসেরা ওপেনার তামিম।

বাংলাদেশের ওপেনিংয়ে আগের সর্বোচ্চ রানের জুটিও ছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। ১৯৯৯ সালের ২৫ মার্চ ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে মেহরাব হোসেন ও শাহরিয়ার হোসেন উদ্বোধনীতে ১৭০ রান করেন। তাদের রেকর্ড জুটির পরও অবশ্য বাংলাদেশ হেরেছিল।

লিটন দাস সাজঘরে ফেরার পর রিয়াদ (৩) উইকেটে আসেন। নিজের চতুর্থ বলে বিদায় নিতে হয় তাকে। ৪৩তম ওভারের প্রথম বলে মুম্বার ফুল লেংথ ডেলিভারিতে ফ্লিক করতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হন।

এরপর ইনিংসের শেষ ওভারে আউট হন আফিফ হোসেন (৭)। এই উইকেটও নেন মুম্বা।

মুম্বা ৩ উইকেট নিতে ৬৯ রান খরচ করেন। সবচেয়ে বেশি ঝড় গেছে সিকান্দার রাজার ওপর দিয়ে। সাত ওভারে ৯.১৪ গড়ে ৬৪ রান দেন।

মাশরাফী এদিন ছয় ওভার বল করেন। ৪৭ রান দিয়ে এক উইকেট নেন। ৪ উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ২ উইকেট তাইজুল ইসলামের।

জিম্বাবুয়ের হয়ে সিকান্দার রাজা সর্বোচ্চ ৬১ রানের ইনিংস খেলেন। ৪২ করেন মাদভারে।

📕সংবাদটি লাইক এবং শেয়ার করুন।

শেয়ার করুন !

Daily Vorer Teknaf

সুন্দর আগামী বিনিমার্ণে একটি অঙ্গীকারবদ্ধ সংবাদ মাধ্যম। দৈনিক ভোরের টেকনাফ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *