বাবা ছাড়া জীবনের প্রথম ঈদ

বাবা ছাড়া জীবনের প্রথম ঈদ।
বাবা ছাড়া জীবনের প্রথম কোরবানির ঈদ।ইতিমধ্যে বুঝে গেছি জীবনের আনন্দময় ঈদগুলো হারিয়ে এসেছি। বাকি জীবন সেই স্মৃতি হাতড়িয়ে বাঁচতে হবে। বাবা তুমি যেখানেই থাকো ভালো থাকো।
সারা বিশ্বে বছরের নিদিষ্ট একটি দিনে বাবা দিবস পালিত হলেও আমার জন্য প্রতিটি দিনই বাবা দিবস। তবে যাদের বাবা আছে তাঁদের জন্য দিনটি কতো যে আনন্দের আর যাদের নেই তাঁদের জন্য কতো যে বেদনার! যার বিবরণ অবর্ণনীয়। আমিও বাবা হারা এক এতিম। দীর্ঘ ১ মাস ২২ দিন পার হয়ে গেল প্রিয় বাবাকে হারিয়েছি। এই সময় গুলি বাবা বিহীন কীভাবে কাটিয়েছি তা আমি ও আমার পরিবার ছাড়া অন্যে কারোর পক্ষে তেমন জানার বিষয় নই। একজন নিখুঁত সাদামনের মানুষ ছিলেন। দীর্ঘ ২৫ বছর প্রবাসে কাটিয়ে আমাদেরকে মানুষ করতে তিনি নিজের সুখকে অকাতরে বিসর্জন দিয়েছিলেন। একজন নি:স্বার্থ মানুষ ছিলেন। পৃথিবীর সকল বাবারা তাঁদের নিজ নিজ সন্তানদের জন্য কতোই না কষ্ট করে। আমার বাবাও তাঁদের মধ্যে একজন। কষ্ট করেছেন, ঘাম জড়িয়েছেন বিনিময়ে আমাদের কাছ থেকে চেয়েছেন ভালো মানুষ হওয়ার নিশ্চয়তা। বাবা তুমি নেই, তবে তোমার দেওয়া আদেশ, নিষেধ, উপদেশ মেনে চলার চেষ্টায় ঠিকই, কিন্তু তুমি তা দেখার জন্য এই ধরণীতে নেই। বাবা তোমাকে খুব মনে পড়ে যখন একাকীত্ব সময় অনুভব করি। তখন আমার দুই চোখ দিয়ে অনবরত নোনা জল জড়তে থাকে। কারণ আমার প্রিয় বাবা এই পৃথিবীর মায়া ছেড়ে না ফেরার দেশে আজীবনের জন্য চলে গেছে। হয়তো মহান আল্লাহ তায়ালা চাইলে আখিরাতে বাবাকে বাবা বলে ডাকতে পারবো। মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে শুধু একতাই ফরিয়াদ আল্লাহ যেন আমার বাবার সকাল জানা ও অজানা গুনাহ মাফ করে দিয়ে তাঁকে জান্নাতুল ফৈরদাউস দান করুক।

লেখক:

সাইফুল ইসলাম(ছাত্র)
কক্সবাজার সিটি কলেজ

শেয়ার করুন !

Daily Vorer Teknaf

সুন্দর আগামী বিনিমার্ণে একটি অঙ্গীকারবদ্ধ সংবাদ মাধ্যম। দৈনিক ভোরের টেকনাফ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *